প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে ভারতের উৎপাদন ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন সার্ভিস ইন্ডিয়া লিমিটেডের (ক্রিসিল) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৫ শতাংশে হারে সঙ্কুচিত হবে।
প্রতিবেদনে প্রথমে জিডিপি বৃদ্ধি ৩.৫ শতাংশ হারে দেখানো হলেও পরে তা কমিয়ে ১.৮ শতাংশ হারে হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়।
লকডাউন বেড়ে যাওয়া ও অর্থনৈতিক প্যাকেজ ও সর্বোপরি বাজারের চাহিদা কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এ ক্ষতি হতে পারে বলে ক্রিসিলের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়।
ক্রিসিলের সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২১ অর্থবর্ষে অকৃষিযোগ্য জিডিপি ৬ শতাংশ কমে যেতে পারে। কৃষি ক্ষেত্রে জিডিপি ২.৫ শতাংশ হারে সঙ্কোচিত হতে পারে।
তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপ্লাই চেন পুরোপুরি উন্মুক্ত না করলে এবং অর্থনৈতিক ‘অ্যাক্টিভিটি’ না বাড়ালে লকডাউন ভারতীয় অর্থনীতিকে আরও নেতিবাচকের দিকে নিয়ে যাবে। যার অত্যন্ত খারাপ প্রভাব পড়বে জিডিপিতে এবং সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে প্রায় তিন বছর সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ৬৯ বছরে তিনবার অর্থনৈতিক বিপর্যয় পড়ে ভারত। তা হলো- ১৯৫৮ সালে, ১৯৬৬ এবং ১৯৮০ সালে। তিনটি ক্ষেত্রেই কারণ ছিল বর্ষার সময় কৃষিক্ষেত্রে বড় ক্ষতি।

