আজ বিশ্ব বাবা দিবস। জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের প্রায় ৭৪টি দেশে এ দিনটি পালন করা হয়। সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের প্রায় সবকিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় বাবাকে। আদর-শাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা।
বাবার মাধ্যমেই সন্তানের জীবনের শুরু। সন্তান বাবার ঋণ কখনো পরিমাপ করতেও পারে না। সেই বাবার প্রতি সম্মান জানাতে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবা দিবস।
জানা যায়, ১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন।
১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং স্যাটেলাইট যুগের সুবাদে বাবা দিবস ঘটা করেই পালিত হচ্ছে।
অনেকে অবশ্য বলেন, বাবাকে স্মরণ করার জন্য শুধু একটি দিন কেন! কেউ কেউ বলে থাকেন, বাবা দিবসটা ঠিক আমাদের জন্য নয়।
বাবাদের জন্য প্রতিটি দিনই বাবা দিবস। তারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সন্তানদের বড় করে তোলেন। হাজারো ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেন সুধি সন্তান ভালো থাকবে এই আশায়।
আজকের এই দিনে সেই সব বাবাদের পেপার’স লাইফের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে লক্ষ লক্ষ লাল গোলাপের শুভেচ্ছা। পৃথিবীর সব বাবারা ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক!

