করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে বিশ্বের জনজীবন। পরিবর্তন হয়েছে মানুষের দৈনিক কাজকর্মের। শুধু যে মানুষই স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছে তা নয়, কিছু পশুপাখির দৈনন্দিন রুটিন বদলে গিয়েছে।
এতে যেমন মন খারাপের দিন পার করছে মানবজাতি, তেমনই মানুষের সঙ্গ না পেয়ে মন খারাপ করছে পশুপাখিও। এমনই এক ঘটনা ঘটে অস্ট্রেলীয়েতে।
অস্ট্রেলিয়ার ক্যুইন্সল্যান্ড টিন ক্যান বে-তে সমুদ্রের ধারে একটি ক্যাফে রয়েছে, নাম ‘বারনাক্লস ক্যাফে অ্যান্ড ডলফিন ফিডিং’।
এই ক্যাফেতে ডলফিনদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু করোনার অতিমারির জেরে ক্যাফে বন্ধ। ফলে বাইরের কেউ আসছেন না এখানে।
আর মানুষের অনুপস্থিতিতে যেন মন খারাপ ডলফিনগুলিরও। এই অবস্থায় তারা রোজ উপহার নিয়ে আসছে সমুদ্রের তল দেশ থেকে। যেন পর্যটকদের আবার তাদের কাছে ফিরে আসার আবেদন করছে।
সেখানকার এক স্বেচ্ছাসেবী লিন ম্যাকফ্যারসন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২৯ বছর বয়সের একটি পুরুষ ডলফিন ‘মিস্টিক’ রোজ এই রকম অন্তত দশটি করে উপহার নিয়ে আসছে। কেউ তাকে এই কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়নি। কিন্তু সেই যেন এখন এই উপহারের বদলে কিছু খাবার পাওয়াটা অভ্যাস করে ফেলেছে’।
ক্যাফেটির ফেসবুক পেজে কিছু ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি ডলফিন মুখে করে সমুদ্রের তলা থেকে প্রবাল, ঝিনুক, বোতল বা কাঠের কিছু জিনিস আনছে। এখন প্রতিদিনই এই ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন ওই সৈকতে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবীরা।

