গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হয় নভেল করোনাভাইরাস। বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে বিশ্বজুড়ে চলছে এ ভাইরাস আবিষ্কারের নানান প্রচেষ্টা।
তবে, বেশিরভাগ মানুষেরই মহামারি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না। এমন কথা বলেছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সুনেত্রা গুপ্ত ।
তিনি মত প্রকাশ করে বলেন, গুরুতর শারীরিক জটিলতা না থাকলে নতুন করোনাভাইরাস প্রাণঘাতী হচ্ছে না। তাই বেশির ভাগ মানুষেরই এই রোগের ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে আলাচারিতায় অংশ নিয়ে রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সুনেত্রা গুপ্ত বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, শারীরিকভাবে সুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রে কভিড-১৯ রোগ প্রাণঘাতী হচ্ছে না। বরং এক্ষেত্রে এটি একটি সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরের চেয়ে বেশি কিছু নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বয়স্ক ও গুরুতর শারীরিক জটিলতা থাকা মানুষদের কাবু করে ফেলছে কভিড-১৯। এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে মানুষের হাতে যেসব ভ্যাকসিন আসবে, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এসব ভ্যাকসিন গুরুতর অসুস্থদের উপসর্গ উপশমে সহায়তা করবে। সে ক্ষেত্রে যাদের শারীরিক জটিলতা কম হবে, তাদের ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।’
সুনেত্রার মতে, করোনাভাইরাস মহামারির ইতি ঘটবে প্রাকৃতিকভাবে এবং একসময় এটি মানুষের জীবনযাত্রার অংশ হয়ে যাবে। তিনি মনে করেন, কভিড-১৯ শেষমেশ একটি সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা হিসেবে পৃথিবীতে রয়ে যাবে।

