রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের চার সংস্থার অনুদান


‘শিশু থেকে বৃদ্ধ সর্বোপরি রোহিঙ্গাদের দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ ছিলো’

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন কাজে ব্যয়ের জন্য ৫ কোটি ডলার দিচ্ছে জাতিসংঘের চারটি সংস্থা।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের চারটি সংস্থার সঙ্গে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

জাতিসংঘের চার সংস্থার পক্ষে ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ, আইওএম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের আবাসন, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ অতিরিক্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর চাপ দীর্ঘদিন বহন করতে পারবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বনেতৃবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গা থাকতে পারবে। সেখানে ক্লিনিক তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা চাই, তারা তাদের দেশে ফিরে যাক। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ডানডান চেন বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আশ্রয়, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ বিশাল উদারতা দেখিয়েছে।

এত বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত মানুষের জন্য মৌলিক সেবা সহায়তা দিতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে আছে। বিশ্বব্যাংক থেকে শিগগির আরও প্রায় ৩০ কোটি ডলার সাহায্য আসবে। সরকারের এই কার্যক্রমে জাতিসংঘের চার সংস্থা সহযোগিতা করবে।

এসময় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারোয়ারসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।