ঘর নোংরা করায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা



ডেম্বেলে ঝামেলা করেন না ঝামেলা তাকে ছাড়ছে না ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তার দলবদল নিয়ে কম ভোগান্তি পোহাতে হয়নি বরুসিয়া ডর্টমুন্ড আর বার্সেলোনাকে। সেও যে খুব সোজা স্বভাবের তা নয়।

রুটিন লাইফ না মানা,রাতভর ভিডিও গেম খেলে ট্রেনিং মিস করায় ক্লাব কর্তৃপক্ষের কথা পাশাপাশি ফোন বন্ধ রাখার ওপরেও তাকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ২০১৭ সালের। ডর্টমুন্ডে খেলার সময় যে বাড়িতে থাকতেন, সে বাড়ির। ৭২ বছর বয়সী গার্ড ওইসেনবার্গের বাড়িতে থাকতেন ডেম্বেলে। বার্সায় আসার আগে সে বাড়ি ছেড়ে আসেন ডেম্বেলে। বাড়ি ছাড়ার আগে তা পরিষ্কার করা ন্যূনতম ভদ্রতা। কিন্তু ডেম্বেলে যেন বাড়ি ছাড়ার আগে আরও বেশি খারাপ করে এসেছেন।

বাড়ি খুলে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় বৃদ্ধ ওইসেনবার্গের, তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ঘর দেখে মনে হচ্ছিল ডাস্টবিন! বাড়িতে ঢুকেই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছি। বাড়িটি মূলত আমার মা-বাবার ছিল, যে কারণে আরও বেশি আশাহত হয়েছিলাম।’

আগের বাড়ির মালিক মন্তব্য করেন, ঘরের অবস্থা ডাস্টবিনের চেয়ে খারাপ! ফ্রিজভর্তি পচা খাবার, রান্নাঘরে ময়লা কাপবোর্ড, পুরোনো প্লাস্টিক ব্যাগ, ঘরজুড়ে কালো কালো ছোপ, সব মিলিয়ে ভীষণ বাজে অবস্থা বাড়ির।

শুধু ওইসেনবার্গই ভুক্তভোগী নন। বিভিন্ন জায়গায় বিল জমিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে বলতেন ডেম্বেলে। ফলে, বাড়ির সামনে ছিল বিলের বিশাল লিস্ট। যার পুরোটা পরিশোধ করতে হয়েছে বৃদ্ধ গার্ড ওইসেনবার্গকে।

বাড়ির মালিক ওইসেনবার্গ রীতিমতো ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ডেম্বেলের কাছে। জরিমানার অঙ্কটাও উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। জার্মান ভদ্রলোকের দাবি, তাঁকে দিতে হবে ২১ হাজার ইউরো!

ডেম্বেলেকে এত বড় অঙ্ক জরিমানা কেন দিতে হবে, আদালতে দেওয়া ওইসেনবার্গের ব্যাখ্যা যৌক্তিকই মনে হবে, ‘বাথরুমের অবস্থা বলার মতো ছিল না। সে টয়লেটের ভেতরে পাথর ফেলে রেখেছিল, যা হাত দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়েছে।

যদিও, ডেম্বেলে খুবই তাড়াহুড়ার মধ্যে বাড়ি বদলেছিল। কিন্তু এমন অবস্থা করে যাবে ভাবিনি। শেষমেষ ২১ হাজার ইউরো কমিয়ে আদালত নির্ধারণ করে দিয়েছেন ১০ হাজার ইউরো, জরিমানার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা।