চালের আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তি



আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে রফতানিযোগ্য চালের দামে তেজিভাব দেখা গিয়েছিল। তবে সর্বশেষ সপ্তাহে ভারত ও থাইল্যান্ডে খাদ্যপণ্যটির দাম আগের তুলনায় কমে এসেছে। বিপরীতে ভিয়েতনামের বাজারে পণ্যটির দাম এখনো ছয় বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।
ভারত বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। সর্বশেষ সপ্তাহে ভারতের বাজারে ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চাল বিক্রি হয় ৩৯৩-৩৯৭ ডলারে। আগের সপ্তাহের তুলনায় এ সময় দেশটির বাজারে খাদ্যপণ্যটির গড় দাম টনপ্রতি ৬ ডলার কমেছে। বাংলাদেশ সরকার আমদানি করা চালের ওপর ২৮ শতাংশ হারে শুল্কারোপের কারণে ভারতে খাদ্যপণ্যটির দাম আরো কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশের একজন রফতানিকারক বলেন, ভারত থেকে রফতানি হওয়া চালের অন্যতম বড়  ক্রেতা বাংলাদেশ। দেশটিতে আমদানি করা চালের ওপর ২৮ শতাংশ হারে শুল্কারোপের জের ধরে খাদ্যপণ্যটির রফতানি কমবে। এতে চালের দাম আরো কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে সর্বশেষ সপ্তাহে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ থাইল্যান্ডে ফ্রি অন বোর্ড (এফওবি) চুক্তিতে রফতানিযোগ্য প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা চাল বিক্রি হয় ৪৩০-৪৩২ ডলারে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৪৩০-৪৪৬ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। স্থানীয় রফতানিকারকরা জানান, রোজা শেষ হলে আফ্রিকার দেশগুলোয় চালের চাহিদা বাড়বে। তখন খাদ্যপণ্যটির দামও আগের তুলনায় বাড়তে পারে।
ভারত ও থাইল্যান্ডে বাড়লেও ভিয়েতনামে রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম ২০১২ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ রয়েছে। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটির বাজারে খাদ্যপণ্যটি বিক্রি হয় টনপ্রতি ৪৬৫-৪৭৫ ডলারে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি বিক্রি হয়েছিল টনপ্রতি ৪৫৫-৪৬০ ডলারে।