নাজাতের দশ দিন হোক ইবাদতের সময়


জুম্মার জামায়াতে ১০ জনের বেশি নয়

দেখতে দেখতে বিদায় নিয়েছে রহমত ও মাগফিরাতের দিনগুলো। এখন নাজাতের দশকে আমাদের ইবাদত-বন্দেগিতে আনতে হবে বিশেষ পরিবর্তন।

রমজানের যত কল্যাণ তার সবটুকুই এই শেষ দশকে এসে সঞ্চিত হয়। আর সেই অংশের কোনো বেজোড় রাতেই আত্মগোপন করে থাকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ঐ রাত, যার নাম ‘লাইলাতুল কদর’।

তাই নাজাতের এ দশকে নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং সমগ্র বিশ্বের শান্তির জন্য আমাদের অনেক বেশি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করা উচিত।

সাওয়াব ও কল্যাণে পরিপূর্ণ এ রাতের সন্ধান লাভ করা কোনো সাধারণ বিষয় নয়, সাধারণ কাজও নয়। এ যে এক মহা সাধনার কাজ। যে মহাজন বছরের প্রতিটি দিন-রাত সাধনায় অতবাহিত করে, ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থেকে পুণ্যতায় পরিপূর্ণ হয়, কেবল তিনিই সন্ধান পাবেন মর্যাদার সে রাতের সওগাত সম্ভার।

পবিত্র রমজান হলো দোয়া কবুলের সর্বোত্তম মাস। তাই নাজাতের এ দিনগুলোতে আমাদের দোয়ার প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টি দেয়া জরুরি। কেননা, যে ব্যক্তি প্রকৃত প্রেরণা নিয়ে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে আল্লাহ তাআলা তাকে কখনও ব্যর্থ হতে দেন না। যেভাবে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-

‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। কিন্তু যারা আমার ইবাদত সম্বন্ধে অহংকার করে, তারা নিশ্চয় লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

এই মুহূর্তে মহান আল্লাহ তাআলার কাছে আমাদের সবাইকে অনেক বেশি প্রার্থনা করতে হবে। একমাত্র তিনিই যদি দয়া করেন তবেই এ বিশৃঙ্খল অবস্থা এবং করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি।