নিম্নমুখী ইস্পাতের দাম



সর্বশেষ কার্যদিবসে সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে ইস্পাতের দাম আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। মূলত ইস্পাত আমদানির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়তি শুল্ক আরোপের পর থেকে চীনের বাজারে পণ্যটির দামে তুলনামূলক মন্দাভাব বজায় রয়েছে। বাড়তি শুল্কের জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি কমার আশঙ্কা চীনা ইস্পাতের বাজারকে আরো নিম্নমুখী করেছে।
সর্বশেষ কার্যদিবসে সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে প্রতি টন ইস্পাত বিক্রি হয় ৩ হাজার ৭৪৮ ইউয়ান (স্থানীয় মুদ্রা) বা ৫৬৩ ডলারে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৭ শতাংশ কম। আগামী দিনগুলোয় চীনের বাজারে পণ্যটির দাম আরো কমতে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে হংকংভিত্তিক ওয়ান্ডা ব্রোকারেজের এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেডিং শাখার প্রধান স্টিফেন ইনেস বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির (যুক্তরাষ্ট্র ও চীন) মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ চরম আকার নিয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে নানা পণ্যে। ইস্পাত আমদানিতে ট্রাস্পের বাড়তি শুল্ক আরোপের বিষয়টি চীনা রফতানিকারকদের মনে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এ কারণে চীন থেকে ইস্পাত রফতানি কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন তারা। এ মনোভাবের কারণে ইস্পাতের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে।
বর্তমানে চীনা ইস্পাত উৎপাদন খাতে চাঙ্গাভাব বজায় রয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর বাকি ইস্পাত রফতানির বিকল্প নেই। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় ও নির্ভরশীল একটি বাজারে রফতানি কমে যাওয়া চীনা ইস্পাত খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বিবেচনা করা হচ্ছে।