সম্প্রতি বার্সেলোনা তাদের সেরা তিনটি গোলের একটি তালিকা প্রকাশ করে। সেই তিনটি গোল করেন একজনই। বার্সেলোনার ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। ফ্যানদের ভোটে নির্বাচিত হওয়া প্রথম গোলটি গেতাফের সাথে করা, ২০০৭ সালে। দ্বিতীয় গোলটি ২০১১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে করা হয়। এবং তিন নম্বরে জায়গা নেওয়া গোলটি লিওনেল মেসি করেন ২০১৫ কোপা ডেল রে’র ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাও এর বিপক্ষে।
২০০৭ সালে মেসির বয়স তখন ১৯। একজন ১৯ বছরের বালক দেখিয়েছিল সেদিন কারিশমা। মাঝমাঠ থেকে একাই বল টেনে নিয়ে গেছেন, গোলরক্ষক সহ কাটিয়েছেন ছয়জনকে। এবং শেষ পর্যন্ত জালে বল জড়িয়ে বিস্ময়ের উপহার দেওয়া সেই গোলটি জায়গা করে নিয়েছে বার্সেলোনার ইতিহাসের সেরা গোল হিসেবে। ১৯৭৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার করা শতাব্দীর সেরা গোলের সাথে অনেকটাই মিলে যায় গোলটি।
রিয়াল মাদ্রিদের ডিফেন্স লাইনে মার্সেলো-সার্জিও রামোসরা। গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস। তবুও থামানো যায়নি মেসিকে। ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। সেই ম্যাচে মাঝমাঠ থেকে একাই বল কাটিয়ে নিয়ে গোল করে জায়গা করে নিয়েছেন বার্সেলোনার ইতিহাসের দ্বিতীয় গোল হিসেবে।
তৃতীয় স্থানে থাকা মেসির গোলটি অ্যাথলেটিক বিলবাও এর বিপক্ষে। ২০১৫ সালের কোপা ডেল রে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাথলেটিক বিলবাও। এখানেও বিস্ময় উপহার দিয়ে একাই মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে গিয়ে গোল করেন মেসি।
https://youtu.be/a5Uxg5LlNZQ
তবে সেরা গোলটি মেসির মনঃপুত হয়নি। তার মতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে করা গোলটি কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে হেডে করা গোলটি আরো ভাল ছিল।
আর্জেন্টিনার ৯৪৭ রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘আমি হলে সেই গোলটিকে সেরা নির্বাচিত করতাম না। বরং বার্নাব্যুতে মাদ্রিদের সাথে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমি ফাইনালে করা গোলটি কিংবা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে করা সেই হেডারটিকে বাছাই করতাম।

