ভিডিও গেমে আসক্তি মানসিক অসুখ


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

প্রথমবারের মত ভিডিও গেমে আসক্তিকে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা । রোগব্যাধির শ্রেণি বিন্যাসের তালিকায় এই আসক্তিকে ‘গেমিং রোগ’ বলে চিহ্ণিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আচরণে আসক্তির সব লক্ষ্মণ রয়েছে অর্থাৎ বারবার এই খেলার প্রবণতা দেখা যায় এবং এর থেকে সরে আসা কঠিন বলেও দেখা যায়। এছাড়াও ‘জীবনের অন্যান্য সব কিছু ছাপিয়ে প্রাধান্য পায়’ এই গেমিং-এর নেশা।

এই রোগের উপসর্গগুলো হল;

১) ভিডিও গেম খেলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের অভাব (খেলার সময়কাল, ইচ্ছার তীব্রতা, এবং খেলার সংখ্যার বিচারে)
২) গেমিং-কে যখন কেউ অন্য সব কাজের ওপরে রাখছে
৩) নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও যখন কেউ ভিডিও গেম খেলার ছাড়তে পারছে না বা খেলার তীব্রতা বাড়াচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকা সবশেষ পর্যালোচনা করে প্রস্তুত করা হয়েছিল ১৯৯২ সালে। নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে ২০১৮ সালে। এই নির্দেশিকায় রোগব্যাধির কোড, উপসর্গ, লক্ষ্মণ এগুলো দেওয়া থাকে। চিকিৎসক ও গবেষকরা রোগ নির্ণয় ও রোগের চিকিৎসা পর্যালোচনার জন্য এই নির্দেশিকা ব্যবহার করেন। এই নির্দেশিকায় বলা হবে অন্তত ১২ মাস কারো ওপর নজর রেখে পর্যালোচনা করতে হবে ভিডিও গেম খেলার ব্যাপারে সে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে কীনা, খেলার ব্যাপারে তার আচরণ অস্বাভাবিক কীনা। কিন্তু কারো ক্ষেত্রে উপসর্গ যদি খুবই বেশি মাত্রায় দেখা যায়, তাহলে ১২ মাসের কম সময়ের মধ্যেই তাকে রোগগ্রস্ত বলে চিহ্ণিত করা যাবে।

এদিকে লন্ডনের নাইটিঙ্গেল হাসপাতালের প্রযুক্তিতে নেশা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড: রিচার্ড গ্র্যায়াম এই আসক্তিকে রোগ হিসাবে গণ্য করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর ফলে এইধরনের আসক্তি মোকাবেলায় বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়াও বিষয়টাকে মানুষ গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।

তবে যারা মনে করেন এধরনের আসক্তিকে রোগ মনে করার পেছনে যথেষ্ট যৌক্তিকতা নেই, তাদের যুক্তিকে তিনি পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না। যেসব ছেলেমেয়ে আসলে খেলায় উৎসাহী অনেকসময় তাদের বাবামা তাদের আগ্রহকে আসক্তি বলে ভুল করতে পারেন- বিভ্রান্ত হতে পারেন।

তিনি বলেন, তিনি প্রতি বছর ৫০টির মত নতুন রোগী দেখেন যারা ডিজিটাল নেশার শিকার। তিনি দেখেন এসব ব্যক্তির আচরণ তার জীবনকে কীভাবে প্রাভাবিত হচ্ছে – তার ঘুম, খাওয়াদাওয়া, সামজিক জীবন এবং শিক্ষা এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কীনা। এই আসক্তি স্নায়ুতন্ত্রের ওপর কোনরকম প্রভাব ফেলছে কীনা?