রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা ক্রিকেট। এই ক্রিকেটে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড, আবার ভাঙছেও। এই রেকর্ড বই ওলটপালট করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন ইয়ন মরগান।
ওল্ড ট্র্যাফোডে এদিন বৃষ্টি ছিল না। আকাশ থেকে ঝরেনি কোনো বারিধারা। তবে ব্যাট হাতে ছক্কা বৃষ্টি ঝরিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক। ইয়ন মরগানের ব্যাটে বল লাগলেই পর হচ্ছিল মাঠ।
ব্যাট হাতে ছয়ের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। ক্রিস গেইল, রোহিত শর্মা ও এ বি ডি ভিলিয়ার্সের ওয়ানডে ক্রিকেটের এক ইনিংসে ১৬টি ছয়ের রেকর্ড ভেঙে ১৭ বার বল আছড়ে ফেলেন সীমানার ওপারে।
এরপরই আউট হয়েছেন মরগান। করেছেন ১৪৮ রান। খেলেছেন মাত্র ৭১টি বল। ১৭ ছয়ের বিপরীতে চার মেরেছেন মাত্র ৪টি।
রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, দৌলত জাদরানরা কেউই পাত্তা পাননি তার কাছে। মাত্র ৫৭ বলে করেছেন সেঞ্চুরি। মরগানের দিনে অসহায় আফগানিস্তানের বোলাররা ছিলেন দিশেহারা।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করা ইংল্যান্ড ৪৪ রানে হারায় প্রথম উইকেট। ইনজুরিতে খেলতে না পারা জেসন রয়ের পরিবর্তে খেলতে নামা জেমস ভিন্স আউট হন ২৬ রানে।
এরপর জনি বেয়ার্স্টো ও জো রুটের ১২০ রানের পার্টনারশিপ খেলায় ফেরায় ইংল্যান্ডকে। বেয়ার্স্টো আউট হন ৯০ রান করে। এরপরই শুরু হয় ইয়ন মরগানের তান্ডব।
একে একে আফগানিস্তানের সব বোলারকে পাড়ার বোলার বানিয়ে চালাতে থাকেন ব্যাট। অপর প্রান্তে থাকা জো রুট দর্শকের ভূমিকায় দেখতে থাকেন যে তান্ডব।
বেয়ার্স্টো-এর মতো সেঞ্চুরি মিস করেছেন রুটও। আউট হন ৮৮ রানে। এই দুই বল পরে ১৪৮ রান করে আউট মরগান। ততক্ষণে যা ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর, তা হয়ে গিয়েছে। দুইজনই আউট হন গুলবাদিন নাইবের বলে, একই ওভারে।
আফগানিস্তান স্টার রশিদ খান এদিন ছিলেন বেশ খরুচে। ক্যারিয়ারে সব থেকে বেশি মার খেয়েছেন এই দিনে। ৯ ওভার বল করে রান দিয়েছেন ১১০, ছিলেন উইকেট শূন্য।
শেষ মঈন আলীর ৯ বলে ৩১ রানী ক্যামিওতে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্ৰহ করে ইংল্যান্ড। থেমেছে ৪০০ থেকে তিন রান দূরে।

