করোনাভাইরাসের কারণে ভেঙ্গে পড়া চীনের অর্থনীতি আস্তে আস্তে স্বাভাবিকহতে শুরু করলেও এখনো যথেষ্ট ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মকর্তারা।
গত শুক্রবার এ বৈশ্বিক মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে এক ব্লগপোস্টে তারা এ আশঙ্কার কথা জানান।
আইএমএফ জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনে লক্ষণীয় মাত্রার অর্থনৈতিক মন্থরতা দেখা যেতে পারে, যারগভীর আঁচড় পড়তে পারে বছরজুড়ে। তবে চীনের প্রতিক্রিয়ায় এটাই প্রতীয়মান হয়েছে যে, কঠোর অর্থনৈতিক ত্যাগসত্ত্বেও সঠিক নীতিনির্ধারণ মহামারী মোকাবেলা এবং ক্ষতি কমাতে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলেন, চীনা বৃহদাকার প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগের আবার কার্যক্রম চালু হয়েছে। স্থানীয় কর্মীদের অনেকেই কাজে ফিরেছেন। তবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাতায়াত আবার শুরু হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাআবার বাড়তে পারে। তারা বলেন, অর্থনীতি যখন সচল হতে শুরু করছে, ঠিক তখনই অন্যান্য দেশে এ মহামারীরপ্রকোপ বৃদ্ধি এবং অর্থবাজারের অস্থিরতা ভোক্তা ও প্রতিষ্ঠানকে চীনা পণ্য নিয়ে সংশয়ী করে তুলতে পারে।
আইএমএফের চীনা মিশনের প্রধান এবং এ ব্লগপোস্টের প্রধান সম্পাদক হেলজ বার্জার বলেন, অর্থনৈতিক ঝাঁকুনিমোকাবেলা এবং পুনরুদ্ধারের সহায়তা নিয়ে চীনা কর্তৃপক্ষ কাজ করার সময় রাজস্ব নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আইএমএফ জানায়, সামাজিক নিরাপত্তা ফি, ইউটিলিটি বিলে ছাড় এবং ফিনটেক ফার্মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণেরপাশাপাশি চিকিৎসা সামগ্রীর উৎপাদন বাড়তে ভর্তুকিযুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা পরিবার এবং ক্ষুদ্রব্যবসায়ীদের সহায়তায় চীনা নীতিনির্ধারকরা ত্বরিত ব্যবস্থা নিয়েছেন।

