শনিবার কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে আটকা পড়েছিল তিমির বাচ্চা। প্রাণীটি ছিল অসুস্থ, এর পেটের দিকে রক্তাক্ত দেখা যায়।
স্থানীয়রা প্রথমে এটাকে সবাই ডলফিন বলে ধরে নেয়। আবার কেউ হাঙ্গর মনে করে। এসময় একদল উৎসুক লোক সেটিকে রশি বেঁধে কূলে তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু বিশাল আকৃতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
দুইদিন পর সোমবার সৈকত উপকূলে মৃত ভেসে আসে প্রাণীটি। সৈকতে ভেসে আসার পর এর আকার আকৃতি গঠন দেখে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত হয়েছেন এটি আসলে তিমি।
স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও প্রাণীবিদরা জানিয়েছেন, তিমিটি ব্রাইডস হোয়েলের বাছুর। এটি গভীর সাগরের প্রাণী। তাদের ধারণা সাগরের জলরাশিতে ঘুরে বেড়ানোর সময় মা তিমির কাছ থেকে আলাদা হয়ে সৈকতের কাছে চলে আসে প্রাণীটি। এরপর আর গভীর সাগরে ফিরে যেতে পারেনি।
পরিবেশকর্মীদের মতে, পূর্ণবয়স্ক ব্রাইডস তিমি দৈর্ঘ্যে ৩০ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত হয়। শাহপরীরদ্বীপ সৈকতে মৃত তিমিটি ১৮ ফুট দীর্ঘ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রাণিবিদদের মতে, করোনাভাইরাসের কারণে উপকূলে মানুষ ও নৌ-যানের চলাচল কমে যাওয়ায় এবং মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় বঙ্গপোসাগরে ডলফিন ও তিমির বিচরণ বেড়েছে।

