ডলারের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ায় নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে স্বর্ণের বাজার। গত বুধবার পণ্যটির লেনদেন ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে শেষ হয়।
আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে স্বর্ণের দাম কমেছে দশমিক ৩ শতাংশ। দিন শেষে পণ্যটির দাম আউন্সপ্রতি ৩ দশমিক ৮০ ডলার কমে ১ হাজার ২৫৬ দশমিক ১০ ডলারে স্থির হয়, যা গত ১৩ ডিসেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন সমাপনী দামের রেকর্ড। চলতি সপ্তাহে এ পর্যন্ত পণ্যটির দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। এর ফলে পণ্যটির মাসিক দরপতনের হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে।
আইসিইতে ডলার সূচক বেড়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি মাসে এ পর্যন্ত সূচকটি প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।
এফএক্সটিএমের বিশেষজ্ঞ লুকমান ওতুনুগা বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগের পরও গতকাল স্বর্ণের দাম কমে চলতি বছর সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছে যায়। এতে বিনিয়োগের আশ্রয়স্থল হিসেবে পণ্যটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, দরের গতিপ্রকৃতি এটা নির্দেশ করে যে, শক্তিশালী ডলার ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের উচ্চ সুদহার স্বর্ণের বাজারের পতনের সবচেয়ে বড় কারণ।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে রুপার দাম কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ। দিন শেষে পণ্যটির দাম আউন্সপ্রতি ১৬ দশমিক ২৩৭ ডলারে স্থির হয়। চলতি বছর এ পর্যন্ত পণ্যটির দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। জুলাইয়ে সরবরাহের চুক্তিতে তামার দাম ৪৩ শতাংশ কমেছে। এদিন পণ্যটি পাউন্ডপ্রতি ৩ দশমিক শূন্য শূন্য ৮ ডলারে লেনদেন হয়। অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্লাটিনামের দাম কমেছে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।
