অন্য সময় হলে হয়ত তাসকিনকে এত গুরুত্ব দিয়ে দেখতেন না নির্বাচকেরা। সামনে বিশ্বকাপ। হাতে বেশি সময় নেই। সপ্তাহখানেক পরই ঘোষণা করা হবে বিশ্বকাপের জন্য দল। চোট কাটিয়ে দুই মাস দশ দিন পর ফিরে কেমন করে তাসকিন, দেখার বিষয় ছিল।
আহামরি পারফরম্যান্স দিয়ে অবশ্য ফেরেননি তাসকিন। লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের হয়ে ফেরার দিনে ৫ ওভার বল করেছেন, উইকেট শূন্য থেকে দিয়েছেন ৩৬ রান।
ফেরার দিনে বড় পরীক্ষা ছিল ফিটনেস ঘাটতি মেটানোর। কেমন করলেন সেখানে? আকরাম খানের রুমে বসে একদৃষ্টিতে তাসকিন আহমেদের বোলিং দেখা মিনহাজুল আবেদীন তাসকিন প্রসঙ্গ উঠতেই বললেন, ‘ওর রানিং ঠিক আছে। রানআপে কোনো সমস্যা নেই। অনেক দিন পর মাঠে নেমেছে। ছন্দ ফিরে পাওয়া সময়ের ব্যাপার। প্রথম ম্যাচ খেলল (চোট কাটিয়ে), মাত্র শুরু করেছে। সামনে সুপার লিগের ম্যাচ আছে। আমার মনে হয় পুরোপুরি ফিটনেস ফিরে পেতে কিছু সময় লাগতে পারে। যেহেতু ওর প্রতিভা নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। দেখি সুপার লিগে কেমন করে।’
তাসকিনের তাই তাড়া ছিল নিজেকে প্রমাণ করার। দল চূড়ান্ত হওয়ার আগেই দু-একটি ম্যাচ খেলে নিজেকে যে শতভাগ ফিট প্রমাণ করতে হবে।
ইংল্যান্ডের মত কন্ডিশনে তাসকিনের মত ফাস্ট বোলারের প্রয়োজন আছে। ২০১৫ বিশ্বকাপেই অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পেস এবং বাউন্সি উইকেটে নিজেকে মেলে ধরেছিলেন ২৪ বছর বয়সী এই পেসার। তাই তাসকিনের জন্য।শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় নির্বাচকরা।

