থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন বিদেশী আসায় নিষেধাজ্ঞা


paperslife

সামরিক শাসনের অধীনে পাঁচ বছর থাকার পর আজ (রবিবার) থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ব্যাংককভিত্তিক এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশন (এএনএফআরইএল) জানিয়েছে, তারা নভেম্বরে অনুমোদন চেয়েছিল। তাদের ইচ্ছা ছিল অধিক পর্যবেক্ষক পাঠানোর কিন্তু অনুমোদন পাওয়া যায় ১৪ মার্চ।  নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি এত দেরিতে দেয়া হয়েছে যে থাইল্যান্ডে ৩৫ জনের বেশি পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারেননি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক কমিটি।

তবে তারা জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন কতটা স্বচ্ছ ও স্বাধীন হবে, তা যাচাইয়ে তারা সীমাবদ্ধতায় পড়তে পারেন।

এবারই প্রথম ভোটাররা ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।  অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সামরিক সরকার ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য যে, থাইল্যান্ডে ২০১৪ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান জান্তা সরকার ক্ষমতায় আসে।

এছাড়াও, সামরিক জান্তাবিরোধী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্বাসিত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার অনুগতরা।

সমালোচকরা বলছেন, সামরিক জান্তাদের সহায়তা করার জন্যই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এএনএফআরইএলের সেক্রেটারি জেনারেল ও থাই ভোট মিশনের প্রধান রোহানা নিশান্তা জানান, ভিসা ইস্যুর কারণে পরিকল্পনামাফিক সব পর্যবেক্ষক আনতে পারছি না।

বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলে সরকারের একজন মুখপাত্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

কিন্তু থাই নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।