আজ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। প্রতি বছর ২২ এপ্রিল দিবসটি পালন করা হয়। পরিবেশ এবং প্রকৃতি রক্ষার মাধ্যমে ধরিত্রীকে টিকিয়ে রাখাই এই দিবসটির লক্ষ্য।
সর্বপ্রথম ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন।
এ বছর এমন সময় ধরিত্রী দিবস পালন হচ্ছে, যে সময় পুরো পৃথিবী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ক্ষুদ্র এক অদেখা অণুজীবের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। করোনাভাইরাসের কাছে হার মেনে চলছে এই পৃথিবীর কার্যক্রম।
কথায় আছে, পৃথিবী কারো ঋণ রাখে না। প্রকৃতিকে আমরা আমাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে ধ্বংসের কিনারায় দাঁড় করিয়েছিলাম। তারই ফল হয়ত পাচ্ছে এ বিশ্ব, এই বিশ্বের মানুষ!
আজ সমগ্র পৃথিবী অসীম বাজেট নিয়ে কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক বানাতে হন্যে হয়ে উঠেছে। অথচ শিক্ষা নেবার দরকার ছিল ইতিহাস থেকে। সেখানে বন্যপ্রানীরা নির্ভয়ে চলাচল করবে মানুষের নাগালের বাইরে ফলে তাদের সংস্পর্শে আসার কথা নয় আমাদের।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আর বন্যপ্রাণী বানিজ্য ঠেকানো বিশ্ব নেতাদের জন্য খুব কঠিন কিছু নয়। অথচ কি অদ্ভুতভাবে, তা না করে আজ নিজেদের আখের গোছনোর লোভে পৃথিবীটাই আজ হুমকির মুখে।

