মঙ্গল গ্রহের ভেতর থেকে ভেসে আসলো ‘চাপা কান্না’ গোঙানির শব্দ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নতুন মিশনে মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তরের তথ্য সম্পর্কে এমনটাই উঠে এসেছে।
প্রথমবারের মত মঙ্গলের ভেতর থেকে শোনা গেল ‘চাপা কান্না’, ‘গোঙানি’র আওয়াজ। থরথর করে কেঁপে উঠল লাল গ্রহ। শুধু এক দিনের ঘটনা নয়, দফায় দফায় সেই গোঙানির আওয়াজ শোনা গেল চার দিন।
নাসার বিজ্ঞানীরা এই ঘটনার জন্য অপেক্ষা করছিলেন ৫০ বছর ধরে। অপেক্ষা করছিলেন ‘মার্শকোয়েক’ এর জন্য।
মার্শকোয়েক বুঝিয়ে দিল লাল গ্রহ এখনো পুরোপুরি মৃত হয়ে যায়নি। মঙ্গলের বুকে এখনও ‘বিপ্লব স্পন্দিত’। বদলাচ্ছে তার ভেতর, তার গঠন। আর এই বদলানোর জাদুকাঠিটা রয়েছে মঙ্গলের বুকের গভীরে লুকিয়ে থাকা কোন ম্যাজিশিয়ানের হাতে।
পৃথিবী যেমন ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে, সাগর-মহাসাগর ফুলে ওঠে তেমনি মঙ্গলেও এরকম প্রথম ঘটলো। আর এই কারণেই মঙ্গল থেকে বিজ্ঞানীরা চাপা কান্না শুনলো।
নাসার বিজ্ঞানীরা এই চাপা কান্না শুনেছে তাদের পাঠানো মহাকাশযান ‘ইনসাইট’ এর ল্যান্ডারে থাকা ‘সিসমিক এক্সপেরিমেন্ট ফর ইন্টেরিয়র স্ট্রাকচার’ (সিস) যন্ত্রটির মাধ্যমে। চাপা কান্না শুনে চুপ করে বসে থাকেনি ‘সিস’, সেই সাথে রেকর্ড করে তা পাঠিয়েও দিয়েছে গ্রাউন্ড স্টেশনে। তারপর সেই শব্দকে আমাদের শ্রবণযোগ্য করে তুলেছে।

