পিজ্জা বা পাস্তা তৈরিতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় চীজ হচ্ছে মোজারেলা। বাংলাদেশে বিভিন্ন সুপারশপে এই চীজটি পাওয়া গেলেও সেগুলো অনেক দামে বিক্রি করা হয়।
তবে খুব সহজেই ঘরেই বানানো যায় মোজারেলা চীজ। খুব বেশিক্ষন সময়ও লাগে না এতে। সব মিলিয়ে ৩০ মিনিট সময় হাতে থাকলেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন মোজারেলা চীজ।
আসুন দেখে নেই মোজারেলা চীজ তৈরিতে কি কি লাগছে;
উপকরণ;
গরুর দুধ ৪ লিটার
লবণ ১ চা চামচ
সাইট্রিক এসিড দেড় চা চামচ (১/৪ কাপ পানিতে গুলাতে হবে)
রেনেট ১/৪ কাপ তরল রেনেট অথবা ১/২ টি ট্যাবলেট ১/৪ কাপ পানিতে গোলানো
থার্মোমিটার খাবারের তাপমাত্রা মাপার জন্য বিশেষ থার্মোমিটার
প্রণালী;
বড় লোহার কড়াইয়ে দুধ ঢেলে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। কিছুক্ষন পড়ে দুধের তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি হলে দুধে সাইট্রিক এসিড দিয়ে নাড়তে থাকুন। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ সাইট্রিক এসিড দিতে হবে। এরপর ধীরে ধীড়ে তাপমাত্রা আরেকটু বেড়ে ৮৮ হলে রেনেট-এর মিশ্রনটি ঢেলে দিন। এ সময়ে দুধটা কিছুটা ঘন হয়ে আসবে এবং হালকা ছানা হয়ে চামচে লেগে যাবে। তাপমাত্রা ৯০ তে উঠলে প্রায় পুরো দুধটাই ছানা হয়ে যাবে। এ সময়ে খুব ধীরে ধীরে নাড়তে হবে। নাহলে পনির ঠিকমত জমবে না। তাপমাত্রা ৯৫-১০৫ ডিগ্রি হলে চীজটা ঘন যাবে এবং পানি আলাদা হয়ে যাবে। ঢাকনা দিয়ে ভালো করে ঢেকে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। ১০৫ ডিগ্রিতে আরো কিছুক্ষন জ্বাল দেয়ার পর ঢাকনা তুলে জমে যাওয়া চীজ আলাদা করে পানি ঝরানোর জন্য চালনিতে রাখুন। পনিরের পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে জ্বাল দিন। তাপমাত্রা ১৭৫ হলে চালনি সহ পনিরটাকে কিছুক্ষন ডুবিয়ে রাখুন।
এরপর চালনি থাকে চীজটাকে তুলে ভালো করে চিপে পানি ছাড়িয়ে ফেলুন। পনিরটাকে ভালো করে মথে নিন এবং হাত দিয়ে গোল বলের মত আকৃতি দিন। বরফ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন পনিরটিকে। এতে পনিরটি আরো ভালো করে জমবে। ব্যস হয়ে গেলো মজাদার মোজারেলা পনির।

