চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে মসলাজাতীয় পণ্য পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী। গত পাঁচদিনের ব্যবধানে পাইকারি পর্যায়ে পণ্য তিনটির দাম যথাক্রমে সর্বোচ্চ ২৫, ৩০ ও ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশ সাধারণত ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চীন থেকে আদা-রসুন আমদানি করে। এতদিন পেঁয়াজ রফতানিতে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার জেরে পণ্যটির আমদানি বন্ধ ছিল। অন্যদিকে নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীন থেকে আদা ও রসুন আমদানিও বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে মসলাপণ্যগুলোর দাম বাড়তে শুরু করে।
তবে কয়েক দিন আগে ভারত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এছাড়া চীন থেকে আদা ও রসুন আমদানি শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ ঘোষণার পর সবগুলো পণ্যের দাম কমে যায়। তবে আমদানি এখনো শুরু না হওয়ায় এসব পণ্যের দামে ফের ঊর্ধ্বমুখী ।
পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৪০-৬০ টাকা আর পাকিস্তান থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
একই পরিস্থিতি বজায় রয়েছে রসুন ও আদার বাজারেও। গত সপ্তাহের শেষ দিকে দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে উভয় পণ্যের দাম। আগের সপ্তাহের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেড়ে গতকাল চীন থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি আদা ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে প্রতি কেজি আদার দাম ছিল ১১০ টাকা। তবে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে দেশে উৎপাদিত নতুন মৌসুমের রসুন। গতকাল মানভেদে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ৩৫-৬০ টাকার মধ্যে।

