আরও বাড়তে পারে স্বর্ণের দাম


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

সংকটকালীন সময়ে সবসময়ই স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। করোনা সংক্রমণের পরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। করোনা মহামারি সহসাই বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে আগামী দিনগুলোয় বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চিত  পরিস্থিতি বহাল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ অনিশ্চয়তায় স্বর্ণের দাম বর্তমানের তুলনায় আরো বাড়তে পারে। এমনকি এক বছরের মধ্যে স্বর্ণের আউন্স ২ হাজার ডলারে উন্নীত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস।

গোল্ডম্যান স্যাকস স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘ—তিন মেয়াদে স্বর্ণের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দামের প্রাক্কলন করেছে। বলা হয়েছে, স্বল্প মেয়াদে বা পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০০ ডলারে উন্নীত হতে পারে। মধ্যমেয়াদে বা ছয় মাসের মধ্যে মূল্যবান ধাতুটির দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৯০০ ডলার হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদ বা এক বছরের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম উঠতে পারে ২ হাজার ডলারে।

এর আগে অপর এক প্রতিবেদনে তিন মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬০০ ডলারে উন্নীত হতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছিল গোল্ডম্যান স্যাকস। আর বলা হয়েছিল, ছয় মাস ও এক বছরের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম যথাক্রমে ১ হাজার ৬৫০ ডলার ও ১ হাজার ৮০০ ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৭৪০ ডলারের ওপরে রয়েছে স্বর্ণের দাম।

চলতি বছরের শুরু থেকেই স্বর্ণের বাজার তুলনামূলক চাঙ্গা রয়েছে। এর প্রধান কারণ নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক সংক্রমণ। জানুয়ারির শুরুর দিকে চীনে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকেই বৈশ্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যত স্থবির হয়ে আসে। ধস নামে আর্থিক কার্যক্রমে। এরপর ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র করোনা মহামারীতে বড় ধরনের ধাক্কা খায়। রেকর্ড সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এসব দেশের অর্থনীতিও গতি হারায়। এখন ব্রাজিল, রাশিয়া এবং ভারত-বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ও ভারত স্বর্ণের শীর্ষ দুই ভোক্তা দেশ। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে গিয়ে টানা লকডাউনে দুই দেশেই মূল্যবান ধাতুটির চাহিদায় পতন ঘটেছে। এর ফলে স্বর্ণের দাম কমার কথা। তবে বিশ্ব অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে আসায় শেয়ার ও মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে। এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে তুলনামূলক নিরাপদ বিবেচনা করে তারা স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে বাড়তির দিকে রয়েছে স্বর্ণের দাম।