প্রাথমিকভাবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা থেকে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি চেয়ে কৃষি মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকেআপাতত আট হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি ইস্যু করা হয়েছে। আগামীকাল থেকেআমদানি করা এসব পেঁয়াজ দেশে আসতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের রোগতত্ত্ববিদ মাহামুদুল হাসান মুসা বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য দেশীয় আমদানিকারকদের আইপির প্রয়োজন হয়। তারা অনলাইনে আবেদনকরেন। ঢাকা থেকে আইপি ইস্যু হয়। স্থানীয় অফিসের মূল কাজ হলো আমদানি করা এসব পেঁয়াজ যাচাই-বাছাই করা।আইপি ঠিক থাকলে আমদানি করা পেঁয়াজ পরীক্ষা করে দ্রুত ছাড় করে দেব।
এদিকে ভারত থেকে আমদানি শুরু হচ্ছে—এমন খবরে হিলির পাইকারি বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্থানীয় বাজারে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা কমে গেছে।
গতকাল হিলির পাইকারি বাজার ঘুরে মেহেরপুরের সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এক সপ্তাহ আগেও পণ্যটি কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
সেই হিসাবে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুখসাগরজাতের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। অন্যদিকে এদিন পাবনার মুড়িকাটা পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩৫-৪০টাকায় বিক্রি হয়। সপ্তাহখানেক আগেও পণ্যটি কেজিপ্রতি ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানেএ জাতের পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২৫ টাকা।

