পেঁয়াজের ঝাঁজ কমলেও, সবজি বাজারে অস্বস্তি


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। আর এর মাধ্যমে টানা দুই সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমল ৪০ টাকা। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, মালিবাগ, খিলগাঁও, মিরপুর বাজার সুত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, দেশি ভালো মানের কেজি প্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-৯০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১০০-১২০ টাকা। রফতানি করা ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০-১০০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১১০-১২০ টাকা।

মেহেরপুরের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০-৮০ টাকা। আর আমদানি করা বড় পেঁয়াজের ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রসুনের দাম। আমদানি করা চীনা রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা। আর দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা।

ঝাঁজালো পেয়াজের দাম কমার বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী নোয়াব আলী বলেন, ভারত রফতানি বন্ধের আদেশ তুলে নেয়ার পর বাজারে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে। এছাড়া বাজারে এখন মেহেরপুরের পেঁয়াজ চলে এসেছে। আশা করি সামনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।

এদিকে বিভিন্ন কাঁচাবাজারে দেখা যায়, লাউ, করলা, টমেটো, শসা, শিম, শালগম, মুলা, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি বাজারে ভরপুর রয়েছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো সবজির দাম কমেনি। শীতের শেষে বাজারে আসতে শুরু করেছে সজনে ডাঁটা। তবে দাম বেশ চড়া। প্রতি কেজি সজনে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।

সজনে ডাঁটার দামের বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের সবজির দাম খানিকটা বেড়েছে। আর সজনে ডাঁটা বাজারে নতুন উঠেছে। আসছেও কম, ফলে দামটা বেশি। আমরা ২৪০ টাকা কেজি পাইকারি কিনি এবং ৩০০ টাকা কেজি খুচরা বিক্রি করছি।

এদিকে গত কয়েক সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে করলা। গত সপ্তাহের মতো করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা। মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা পিস। বরবটির কেজি ৮০-১০০ টাকা।

এছাড়া শসা ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০, পাকা টমেটো ৩০-৪০, শিম ৩০-৪০, ফুলকপি-বাঁধাকপি পিস ৩০-৩৫, গাজর ২০-৩০, শালগম ২৫-৩০, মুলা ৩০-৩৫, বেগুন ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রমজান আলী বলেন, দীর্ঘদিন পর পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে এসেছে। তবে বাজারে সবজির দাম বেশ চড়া। কিছু কিছু সবজি একেবারে আমাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে এই দ্রব্যমূল্যের অরাজকতা নিয়ে দুঃখ করা ছাড়া কিছুই করার নাই।

এ প্রসঙ্গে কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, এখন সবজির দাম তুলনামূলক কম। এর থেকে সবজির দাম কমার খুব একটা সম্ভাবনা নেই। বরং সামনে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭০০-৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০-৫০০ টাকা। তেলাপিয়া ১৩০-১৭০, শিং ৩০০-৪৫০, শোল মাছ ৪০০-৭৫০, পাবদা ৪০০-৫০০, টেংরা ৪৫০-৬০০, নলা ১৮০-২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের মুদির দোকান ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের চালের দাম আগের মতোই বাড়তি রয়েছে।স্বাভাবিক রয়েছে চিনি, আটা, ডাল, ময়দা এবং ডিমের দাম। কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মসলার বাজারে। সেই সাথে দাম কমেছে সয়াবিন তেলের।