স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম


চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

করোনা সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট লকডাউনে দেশে মৌসুমের শেষ দিকে নির্ধারিত চায়ের দুটি নিলাম আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। সংকট নিরসনে বড় হলরুম ভাড়া করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ চা বোর্ড। এরই মধ্যে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়া তিনটি নিলাম সম্পন্ন হয়েছে।

গত ১৮ মে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয় চলতি মৌসুমের প্রথম চায়ের নিলাম। এ সময় শুধু চট্টগ্রামের ক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে ১ জুন আয়োজিত মৌসুমের দ্বিতীয় নিলামে ঢাকা থেকেও সাতজন ক্রেতা চট্টগ্রাম এসেছিলেন।

৩ জুন মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে চলতি মৌসুমের তৃতীয় নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ক্রেতাদের ভালো সাড়া মিলেছে। সর্বশেষ নিলামে সব মিলিয়ে ১৮ হাজার ৭০০ কেজি চা বিক্রি হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

এ সময় দেশে চায়ের দ্বিতীয় নিলাম কেন্দ্রে পানীয় পণ্যটির কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ২৩০ টাকা। চলতি মৌসুমের পরবর্তী নিলামগুলোয় সারা দেশ থেকে ক্রেতারা অংশ নেবেন বলে আশা করছে চা বোর্ড। আর দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি না কমায় নিলাম আয়োজনে বিশেষ সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে বলে জানিয়েছে চা উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাত নিয়ন্ত্রণকারী রাষ্ট্রীয় এ সংস্থা।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দেশে চা শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ, চাহিদা অনুযায়ী বাজারে চায়ের জোগান নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি জাতীয় অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও চা বোর্ড ২০২০-২১ নিলাম বর্ষের পূর্ণাঙ্গ নিলাম শিডিউল ঘোষণা করেছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিটিটিএ) নির্ধারিত নিলাম কেন্দ্রের পরিবর্তে দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (সিসিসিআই) মালিকানাধীন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সুপরিসর বঙ্গবন্ধু হল রুমে নিলাম আয়োজন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া অবধি এখানেই মৌসুমের পরবর্তী নিলামগুলো আয়োজন করা হবে।