গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘জিআর র্যাপিড ডট ব্লট’ কিটের কার্যকারিতা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত জানানোর কথা আজ রবিবার (২৪ মে)।
লিখিত প্রতিবেদন আকারে সেই সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার কাছে জমা হবে। এরপর তিনি প্রতিবেদন পাঠাবেন ওষুধ অধিদফতরে। তারপর সেখান থেকে অনুমোদন মিললেই নিজেদের তৈরি কিটে করোনা পরীক্ষা শুরু করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
তবে, এ ২টি ধাপের কাজ শেষ হতে অন্তত আরও একমাস সময় লাগতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকে আপাতত নিজেদের উদ্যোগেই কিটের ‘ক্লিনিকাল ট্রায়াল’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (২৬) নাগাদ সীমিত পরিসরে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত একাধিক দায়িত্বশীলের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানা গেছে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্যতম ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, ইতোমধ্যে এই প্রজেক্টে ৪ কোটি টাকার ওপর ব্যয় হয়েছে। যেহেতু সরকারের কোনও রকম আগ্রহ ছাড়া তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন, সে কারণে আর্থিক বিষয়টি সামনে আনতে চান না।

