করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বজুড়ে নেওয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। তারপরও প্রাঙ্ঘাতিএ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে অসংখ্য মানুষ।
এসবের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভাইরাস না পাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আর এ ধরনের ঘটনায় বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মায়ো ক্লিনিকের সংক্রামক রোগ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রিয়া সম্পতকুমার বলেন, ‘পরীক্ষায় ভাইরাস ধরা পড়বে কি না, তা নানা বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল।’
এ বিষয়ে তিনি জানান, হাঁচি-কাশি বা এজাতীয় শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কতটা ভাইরাস বের করছেন, মেডিক্যাল পরীক্ষার নমুনা কিভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে, অভিজ্ঞ ব্যক্তির মাধ্যমে যথাযথভাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে কি না, নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য আনতে রাস্তায় কতটা সময় লেগেছে, এমন অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে পরীক্ষার ফলাফল।
বাল্টিমোরের জনস হপকিন্স হসপিটালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ড্যানিয়েল ব্রেনার জানান, এক ব্যক্তির মধ্যে কভিড-১৯ রোগের সব উপসর্গ ছিল, অথচ তার নমুনা তিনবার পরীক্ষা করার পরও নেগেটিভ ফল পাওয়া যায়। এরপর তার শ্বাসনালির মধ্য দিয়ে ক্যামেরা ঢুকিয়ে ফুসফুস পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং বিশেষ ব্যবস্থায় সেখান থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার পর ভাইরাসের উপস্থিতির ব্যাপারে পজিটিভ ফল পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, এ রোগীর পরীক্ষার ফল নেগেটিভ পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলে তার মাধ্যমে আরো বহু লোক আক্রান্ত হতে পারত। তাই শুধু প্রাথমিক মেডিক্যাল পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে উপসর্গ, রোগীর ইতিহাসসহ সব বিষয়ে নজর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সূত্র : এএফপি

