ঋতু পরিবর্তনে মৌসুমি বায়ুর প্রকোপে কখনো ঠাণ্ডা আবার কখনোবা গরমে জ্বর বা সর্দি কাশির মতো রোগ বেড়ে যায়।
এ সময়ে জ্বর বা কাশি হতে খুব সহজেই যেভাবে মুক্তি পাবেন সে সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো নিয়েই আজকের আয়োজন।
জ্বর হলে করণীয়:
জ্বর আসলে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হবে। এর পাশাপাশি পানিতে ভেজানো তোয়ালে দিয়ে সারা শরীর মুছে দিতে হবে। এভাবে জ্বর ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত নেমে না আসা পর্যন্ত শরীর মুছতে হবে। এছাড়াও, অধিক তাপমাত্রায় জ্বর থাকলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।
শিশুদের প্রতি বিশেষ খেয়াল:
শিশুরা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পানি শূন্যতায় ভোগে। কারণ জ্বরের তাপে সহজেই শরীর পানি শূন্য হয়। তাই শিশুকে প্রচুর পানি ও তরল খাবার দিন। পানি পান করতে না চাইলে তার সাথে ফলের রস, তরমুজ বা আঙুর, ডাবের পানি, স্যুপ ইত্যাদিও দিন।
শিশুকে বিশ্রামে রাখুন, এসময় বেশির ভাগ শিশুর খাওয়ার রুচি নষ্ট হয়ে যায়। তাই এমন খাবার দিন, যা অল্প খেলেও শক্তি পাবে। যেমন- দুধ-চিনি দিয়ে তৈরি কোনো নাশতা, মুরগির মাংসের স্যুপ, পাস্তা, ফলমূল ইত্যাদি।
জ্বর আসলে শরীর মুছে দিন, তার সাথে সাধারণ প্যারাসিটামল খাওয়াতে পারেন। এ সময় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
তবে, এই সময়ে শিশুরা যে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভোগে, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিউমোনিয়া নয়। ভাইরাসজনিত এই রোগের নাম ব্রংকিওলাইটিস।এক্ষেত্রে, সুস্থ শিশুকে আক্রান্ত শিশু থেকে দূরে রাখতে হবে।
গলাব্যথা, সর্দি-কাশিতে করণীয়:
কুসুম কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গলা গার্গল করলে গলাব্যথা সহজেই ভালো হয়ে যায়। দিনে কমপক্ষে ২ থেকে ৪ বার কিছুক্ষণ এই গার্গল করতে হবে। ধুলাবালি এড়িয়ে চলুন এবং এই সময় অবশ্যই ঠাণ্ডা পানি পরিহার করুন।

