এ বছর সর্দি-জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ!


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

বিগত বছরগুলোয় মার্চ-এপ্রিলে সর্দি, জ্বর, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথাসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা গড়ে ২৫ হাজার মানুষ। এ বছর তা কয়েক গুণ বেশি হয়ে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দেড় লাখ থেকে দুই লাখে।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় এসব রোগব্যাধিকে কোভিড ১৯-এর লক্ষণ-উপসর্গ মনে করে আক্রান্তরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। এদিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন অনেকের মৃত্যুও হচ্ছে।

আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত এসব রোগকে ‘ছোট’ বিবেচনা করে আগে সাধারণত মানুষ কমই চিকিৎসা নিতেন। কয়েক দিনে এসব অসুখ সেরেও যেত। বড়জোর এলাকার ফার্মেসি থেকে নিজেরাই ওষুধ নিয়ে সেবন করে সুস্থ হয়ে যেতেন। কিন্তু এসব রোগের সঙ্গে কোভিড ১৯-এর লক্ষণ-উপসর্গের মিল থাকায় এখন সামান্য হাঁচি-কাশিতেই মানুষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার একই সময়ে এসব অসুখে চিকিৎসা গ্রহণকারীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে কয়েকগুণ। সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, সর্দি-জ্বর হলেই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

দেশে গত মাসের শেষদিকে সর্দি, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বাড়তে থাকে। গত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছর মার্চ-এপ্রিলে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, শীতের সময় মানুষ সর্দি, জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, টনসিল ও বাত-ব্যথা, ব্রংকাইটিস, সিওপিডি, অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হয়। আবার ঋতু পরিবর্তনের কারণেও এ ধরনের কিছু রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। কিন্তু গরমে এই ধরনের রোগী বেশি হয় না।

অথচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, এবার শীতকাল থেকে এই সময়েই বেশি মানুষ সর্দি, জ্বর, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

সর্দি, জ্বর, হাঁচি কাশি ও গলাব্যথার রোগী বেড়ে গেলেও আক্রান্তদের অনেকে করোনা সংক্রমণের ভয়ে হাসপাতালে যাচ্ছেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও সংক্রমণরোধে অতিজরুরি না হলে হাসপাতালে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সরকার করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে হাসপাতালে সীমিত আকারে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। এ অবস্থায় রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং হাসপাতালে গিয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টেলিমেডিসিন সেবা চালু করে।