চীনের সেই ভ্যাকসিন ৯৯ শতাংশ কার্যকরের আশা বিজ্ঞানীদের


bdnews24 bangla newspaper, bangladesh news 24, bangla newspaper prothom alo, bd news live, indian bangla newspaper, bd news live today, bbc bangla news, bangla breaking news 24, prosenjit bangla movie, jeeter bangla movie, songsar bangla movie, bengali full movie, bengali movies 2019, messi vs ronaldo, lionel messi stats, messi goals, messi net worth, messi height

করোনাভাইরাস মহামারি থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বজুড়ে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জোর চেষ্টা চলছে। এ লতাইয়ে ভ্যাকসিন তৈরির দৌঁড়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে চীন।

ভ্যাকসিন তৈরির কাজে ব্যস্ত চীনা বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তারা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত যে তাদের তৈরি ভ্যাকসিন কার্যকর হবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্কাই নিউজকে বেইজিংভিত্তিক জৈবপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের গবেষকেরা এ নিশ্চয়তা দেন।

বেইজিং-ভিত্তিক বায়োটেক সংস্থাটি ১০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে একটি বাণিজ্যিক প্ল্যান্ট তৈরি করছে।

বর্তমানে সিনোভ্যাকের তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনটি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে। এটি নিরাপদ কি না, তা যাচাই করতে এক হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে ভ্যাকসিনটি দেওয়া হচ্ছে।

গত মাসে সিনোভ্যাক একাডেমিক জার্নাল ‘সায়েন্স’–এ তাদের গবেষণা ফলাফল প্রকাশ করে, যাতে করোনাভ্যাক নামে তাদের ভ্যাকসিনটি বানরের ওপর পরীক্ষায় সফল বলে জানানো হয়। এটি বানরের শরীরে করোনা–সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছিল।

সিনোভ্যাকের গবেষক লুও বৈশানের কাছে স্কাই নিউজের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ভ্যাকসিনটির সাফল্যের বিষয়ে তিনি কতটা আশাবাদী? জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই সফল হবে। আমরা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত এটি কাজ করবে।’

চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন , চীন ভ্যাকসিন উৎপাদন করার পর বিশ্বের সব মানুষের কল্যাণে তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যদিও এর ব্যবহারিক ফলাফল এখনো অস্পষ্ট।

সিনোভ্যাকের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা ইয়াং বলেন, ‘আমরা কেবল চীনকে নয়, গোটা বিশ্বকে বিবেচনা করছি। কেবল একটি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য নয়, চীনসহ চীনের বাইরের দেশগুলোকে এই মহারির হাত থেকে কিভাবে মুক্তি দেওয়া যায় সেটাই আমরা বিবেচনা করছি।’

সূত্র- ফার্স নিউজ

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১০০টিরও বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে ১০টির মতো ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে গেছে। বিশ্বে সবার আগে ভ্যাকসিন আনার প্রতিযোগিতার দৌড় শুরু হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, ভ্যাকসিন কীভাবে বিতরণ হবে এবং উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের জনসংখ্যাকে আগে প্রাধান্য দেবে কিনা তা নিয়ে।