করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আতঙ্ক নিয়ে তাই এতদিন ঘরেই বন্দি রয়েছে দুই ভাই ঋতেশ ও দেবস্মিতা। তাঁদের নিয়ে রীতিমতো আশঙ্কিত মা-বাবারাও। ওদের বাঁচাতে দরকার কৃত্রিম ফুসফুস। আর এই পরিস্থিতিতে ওদের নিরাপদের রাখার একমাত্র উপায় ওই বাইপ্যাপ যন্ত্রই। তবে এক একটা বাইপ্যাপের দাম লক্ষাধিক। যা জোগান দেওয়ার সামর্থ ছিল না বাবা-মার।
এমতাবস্থায় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কৃষি বিপণন ঠিকাদার সমিতি।
ওদের হঠাৎ হঠাৎই দম বন্ধ হয়ে আসে। অসুখটাই শ্বাসকষ্টের। যার পোশাকি নাম স্পাইনাল মাসকুলার আর্থ্রফি। ইনহেলার ছাড়া বাঁচা ওদের পক্ষে কার্যত অসম্ভব। এমন রোগীর স্নায়ুও ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে আসে। শরীরে অক্সিজেনের জোগান কমতে থাকে ক্রমশ। বলার অপেক্ষা রাখে না, করোনা ভাইরাসে একবার আক্রান্ত হলে এমন রোগীর মৃত্যু অবধারিত।
একাধিক সংস্থার দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছিল রোজই। অবশেষে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কৃষি বিপণন ঠিকাদার সমিতির দ্বারস্থ হয় রোগীর পরিবার।
সুত্র: জি নিউজ।

