এই রমজানে যে সব খাবার নিয়ন্ত্রণ করবে কোলেস্টেরল


paperslife

রমজানে রোজা রেখে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাসের কারণে অনেকেরই শারীরিক কিছু সমস্যা পোহাতে হয়।কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।

পাশাপাশি হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তবে চিন্তার কারণ নেই। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে বেশ কিছু খাবার। চলুন সেসব খাবর সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক!

১. গ্রিনটিঃ

অনেকেই হালকা ইফতার সেরে হাতে নেন চায়ের পেয়ালা। সেক্ষেত্রে আমরা গ্রিনটি পান করতে পারি।
প্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়।

গ্রিনটি এর বিভিন্ন উপাদান পরিপাক নালীতে কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিহত করে এবং রেচনে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিনটি ধমনীতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

২. কাঠবাদাম:

হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে, যা ভালো কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

২০১১ সালে নিউট্রিশন রিভিউতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কাঠবাদামের মত গাছের বাদাম খাওয়া এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে। এর ফলে করোনারী ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে।

৩. কমলার জুস:

অনেকেই ইফতারে পানি মুখে দিয়েই শরবতের গ্লাস হাতে তুলে নেন। সেক্ষেত্রে আমরা কমলার জুস পান করতে পারি। টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোতে অত্যন্ত উপকারী।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়। এর কারণ হচ্ছে কমলার রসে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং হেসপিরিডিন এর মত ফ্লেভনয়েড থাকে।

সুতরাং আমাদের প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় এসব খাবার রেখে শরীরকে সুস্থ সুন্দর রাখা জরুরী।