সুন্দর আকর্ষণীয় শরীর কে না চায়। আজকাল মানুষের স্থুলতার যে হারে বাড়ছে। সকলেই কিছু না কিছু নিয়মের মধ্যে চলার চেষ্টা করছেন। যাতে করে শরীরের ওজন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হয়।
অনেকেই হয়তো ক্রাশ ডায়েট করছেন। এর ফলে কিছুদিনের মধ্যে অনেকটা ওজন কমানো সম্ভব হয়। কিন্তু জানেন কি ওজন দ্রুত কমবে ঠিকই, কিন্তু এ কারণে শরীরের পুষ্টিঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করে।
ক্রাশ ডায়েটের ক্ষতিকর দিক গুলো- এর অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে। এসব নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। চলুন দেখে নেয়া যাক সেগুলো।
১। ক্রাশ ডায়েটের ফলে শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না, ফলে ধীরে ধীরে পেশী দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে নিজেকে অনেক দুর্বল লাগে। কোন কাজ করার শক্তি থাকে না।
২। ক্রাশ ডায়েট দীর্ঘদিন করা উচিত নয়। ফলে আবার স্বাভাবিক ডায়েটে ফিরে এলে ওজন আগের চেয়েও বেড়ে যেতে পারে। ফলে স্থুলতার সমস্যা পুনরায় দেখা দিতে পারে।
৩। ক্র্যাশ ডায়েটের ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পেলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যেতে পারে। ত্বক তার ঔজ্জ্বল্য হারায়।

৪। ক্রাশ ডায়েটের সময় শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে উপোস করার অভ্যাস বা খাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫। নারীদের ক্রাশ ডায়েট করলে নানা রকম মেনস্ট্রুয়াল ডিজঅর্ডার বা অনিয়মিত ঋতুর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৬। নারীদের ক্রাশ ডায়েটের ফলে শরীর পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম পায় না যার কারণে অস্টিওপরেসিস বা হাড় ক্ষয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৭। ক্রাশ ডায়েটের জন্য শরীর সঠিক পরিমাণ প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম না পেলে অপুষ্টির সমস্যায় ধীরে ধীরে শরীর ভেঙে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।

