শারীরিক প্ররিশ্রমে স্বাস্থ্যের উন্নতি, সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় পাশাপাশি এর ফলে দীর্ঘায়ু লাভ করা যায়। এই তথ্য এখন গবেষণায় প্রমাণিত।
সুইডেনের স্টকহোমের সুইডিশ স্কুল অব স্পোর্ট অ্যান্ড হেলথ সায়েন্সের গবেষকরা জানান, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে কায়িক পরিশ্রম।
এ গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি পর্তুগালের লিসবনে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজি আয়োজিত ইউরো প্রিভেন্ট ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়।
গবেষকরা জানান, এ গবেষণার অংশ হিসেবে তারা ১৯৯৫ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সংগৃহীত ৩ লাখ ১৬ হাজার সুইডিশ নাগরিকের স্বাস্থ্যসম্পর্কিত তথ্য পরীক্ষা করে দেখেন।
পরে তারা একজন ব্যক্তির সর্বোচ্চ অক্সিজেন গ্রহণের পরিমাণ হিসাব করে দেখেন। তারা দেখতে পান, সাধারণত যত বেশি পরিশ্রম বা নড়াচড়া, তত বেশি অক্সিজেন সরবরাহ।
এছাড়া তারা মৃত্যুহার ও প্রথমবার কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্টে মৃত্যুসম্পর্কিত তথ্য জানতে সুইডেনের ন্যাশনাল রেজিস্ট্রিতে চোখ বোলান।
দুই ধরনের তথ্য মিলিয়ে তারা দেখতে পান, প্রতি মিলিলিটার অক্সিজেন বেশি গ্রহণে মৃত্যুহার ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্ট ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে এসেছে।
সুতরাং গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কায়িক বা শারিরীক পরিশ্রম বিকল্প নেই।

