হিটস্ট্রোক হলে কী খাবেন!



গ্রীষ্মকাল, রোদের তীব্রতাও প্রখর। এই গরমে শুধু অস্বস্তি আর ঘামই হয়না, হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও থাকে। সূর্যের নীচে একটানা দীর্ঘসময় থাকলে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে। এতে শরীরে অতিরিক্ত পানিশুন্যতা তৈরি হয়।

গরমের এই তীব্রতায় শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল লাগে। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হলে ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নেই পদ্ধতিগুলো:

বাটারমিল্ক:
বাটারমিল্কে থাকা প্রবায়োটিক, প্রোটিন এবং ভিটামিন শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। বাটারমিল্ক তৈরি করতে যা প্রয়োজন।

এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ দই সাথে সামান্য লবণ ও জিরার গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি করে নিন বাটার মিল্ক। প্রতিদিন অন্তত এক থেকে দুইবার এটি পান করুন।

পেঁয়াজের রস:
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অনুযায়ী, হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা গেলে প্রথমেই পেঁয়াজের ব্যবহার করা উচিত। পেঁয়াজের রস হিটস্ট্রোকের জন্য বেশ উপকারী।

হিটস্ট্রোক হলেই কানের পেছনে, পায়ের পাতায় এবং বুকে পেঁয়াজ বাটা লাগিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিন। এছাড়া এক চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

তেঁতুল:
হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখলে তেঁতুলের শরবত খান। এজন্য প্রথমে কয়েকটি তেঁতুল পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে নিন। তেঁতুলের পানীয়তে মধু এবং সামান্য লবণ যোগ করুন। এই পানীয়টি দিনে দুইবার পান করলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে।

তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং ইলেক্ট্রোলাইট। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় । এটি পানিশূন্যতা পূরণে ভূমিকা রাখে।

কাঁচা আম:
হিটস্ট্রোকে কাঁচা আমের জুস খেতে পারেন। কাঁচা আম, সামান্য লবণ, জিরা ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করে খেয়ে নিন। কাঁচা আমের জুস শরীর সতেজ ও সুস্থ রাখে।

গরমে হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে উল্লেখ্য খাবারগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যোগ করতে পারেন। সচেতনতাই আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।